আল-আকসা ফাউন্ডেশনের নীতিমালা সমূহ নিন্মোক্তঃ
- আল্লাহর সন্তুুষ্টি অর্জনের লক্ষেই সকল কার্যক্রমে অংশ গ্রহণ করবো।
- ইসলাম ও দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও মর্যাদা রক্ষার যথাসাধ্য চেষ্টা করবো।
- ইসলাম ও দেশের সংবিধানের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হবো।
- দেশ ও ইসলাম একই সুত্রে গাঁথা।
- নিঃস্ব, অসহায়, দূর্গতদের সেবা করা।
- শান্তি-শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা করা।
- সকলের মধ্যে ঐক্য-ভ্রাতৃত্য, সম্প্রীতি স্থাপন করা।
- যে নিয়ম তৈরি করা হবে, সে নিয়ম সকলেই মানতে বাধ্য থাকিবে।
- সকলের এ বিশ্বাস রাখতে হবে সংখ্যাধিক্য,শক্তি,অর্থের মাধ্যমে বিজয় বা সফলতা আসে না, আসে আল্লাহর উপর তাওয়াককুল আর আল্লাহ প্রদত্ত অনুগ্রহের মাধ্যমে।
- সকলের বাধ্যতামূলকভাবে অহংকার, দাম্ভিকতা বিশেষ করে হীনমন্যতা পরিহার করতে হবে।
- প্রধান মুখপাত্র ও সর্বোচ্চ দায়িত্বশীলের মধ্যে ইলমে ওহীর জ্ঞান থাকা অত্যাবশ্যক।
- আল্লাহর জন্য সকল নিন্দনীয় নেতৃত্ব লোভ পরিহার করতে হবে।
- সমাজকে খন্ড-বিখন্ডকারী এবং যে বা যারা একতার পরিবর্তে নিজ বা নির্দিষ্ট কতিপয় ব্যাক্তি কিংবা বংশধর দ্বারা সমাজে একক প্রভুত্ব স্থাপন করতে চায় তাদেরকে সকলেই বয়কট করতে হবে।
- সকল বিভাগীয় সম্পাদক সকল সদস্যের পরামর্শে ও আমিরের নেতৃত্বে কাজ সম্পাদন করবে।
- দায়িত্ব দায়িত্বশীলদের মধ্যে জ্ঞান-প্রজ্ঞা, দূর্দর্শীতা,বিচক্ষণতা,মনুষ্যত্ব,শিক্ষা, দৃঢ়তা, ধৈর্য্য, সহনশীলতা, সহিষ্ণুতা, সহানুভূতি এবং একাগ্রতা থাকবে হবে নচেৎ বিনা শর্তে অগ্রহণযোগ্য।
- দায়িত্বশীলদের মধ্যে সমস্ত দৈহিক,আত্বিক ও চারিত্রিক গুণাবলিতে গুণান্বিত হতে হবে।যে গুনাবলির প্রতিবিম্ব হলে আমাদের কার্যক্রমের অগ্রযাত্রা অক্ষুন্ন থাকবে।
- দায়িত্বশীলদের মধ্যে নিম্নোক্ত ৪টি শর্ত থাকতেই হবে।
- ন্যায়পরায়নতাঃ একজন দায়িত্বশীলের মধ্যে ন্যায়পরায়নতা, সত্যবাদিতা,আমানতদারিতা ও সৎ কাজের প্রতি আগ্রহ থাকতে হবে।
- দৃঢ়চিত্ততাঃ সমস্ত নিয়ম-নীতি বাস্তবায়ন ও সকল কার্যক্রম রক্ষণাবেক্ষণ,জ্ঞান, কলাকৌশল, প্রজ্ঞা, প্রত্যয় ও সাহস অবশ্যই থাকতে হবে।
- ইন্দ্রীয় ও অঙ্গ প্রতঙ্গের সুস্থতাঃ একজন দায়িত্বশীল সম্পূর্ণ সুস্থ হবেন বিকলাঙ্গ হওয়া ঠিক নয়। তার নাক,কান,জিহ্বা, ত্বক,কন্ঠস্বর,হাত-পা ইত্যাদি সম্পূর্ণ সুস্থ হতে হবে।
- গ্রহণযোগ্যতা ও আত্বত্যাগঃ সকলের নিকট তার গ্রহণযোগ্যতা ও কার্যক্রমে তাঁর আনন্দ চিত্তে আত্বত্যাগী হতে হবে।
- রাষ্ট্রদ্রোহী সকল কর্মকাণ্ড থেকে বিরত থাকতে হবে।
- সর্বাবস্থায় দেশের স্বাধীনতা রক্ষার চেষ্টা করা।
- নাগরিক অধিকার ও কর্তব্য সম্পর্কে জ্ঞান লাভ করা।
- দেশ ও জাতিকে বিশ্বের দরবারে উচু আসনে প্রতিষ্ঠিত করার জন্য যথাসাধ্য চেষ্টা করা।
- দেশের আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হওয়া।
- নাগরিক অধিকার আদায় ও কর্তব্য পালনে কোনো দ্বিধা সংশয় না করা।
- এই প্রতিজ্ঞায় যা আছে আল্লাহ তার সাক্ষী ও রক্ষাকারী।
- এ প্রতিজ্ঞার প্রত্যেক সদস্যের জন্য ইসলামের মৌলিক জ্ঞান অর্জন করা অত্যাবশ্যক।
- বাধ্যতামূলকভাবে প্রত্যেক সদস্যকে পাচ ওয়াক্ত নামাজ আদায় করা ফরজ।
- ধর্মীয় যেসব বিষয়ে ইখতিলাফ (মতপার্থক্য) রয়েছে সে সকল বিষয়ে তর্ক-বিতর্ক,বাক-বিতন্ডা সম্পূর্ণ নিষেধ।যথাসাধ্য এড়িয়ে চলতে হবে।
- প্রতিজ্ঞার ধারা সমূহ ভঙ্গকারীর উপর আল্লাহর লানত অবতীর্ন হবে।
- প্রতিজ্ঞার সকল সদস্যের এ মর্মে আত্মবিশ্বাস থাকতে হবে যে,আমাদের উপর আল্লাহর অনুগ্রহ ছিল,আছে এবং থাকবে।
- অত্যাচারিতকে সাহায্য করা ও অত্যাচারিকে বাধা দেওয়া।
- কোনো ব্যক্তি অপরাধ করলে তা ব্যক্তিগত অপরাধ বলে গন্য হবে।
- এজন্য অপরাধকারীর সম্প্রদায়কে দায়ি করা যাবে না।
- সকলে হাতে-হাত ও কাধে-কাধ মিলিয়ে কাজ করতে হবে।
- এ প্রতিজ্ঞায় সাক্ষরকারী সকলেই অন্য সমস্ত মানুষের চাইতে স্বতন্ত্র।
- প্রতিজ্ঞায় সাক্ষরকারীরা সম্মিলিতভাবে অন্যায়কারীর বিরুদ্ধে থাকবে। অন্যায়কারীকে কোনোরুপ প্রশ্রয় দেওয়া যাবে না।
- কোনো বিষয়ে মতবিরোধ দেখা দিলে সেই বিষয়ে এড়িয়ে যেতে হবে নতুবা যার বা যাদের মাধ্যমে মীমাংসা হবে তাঁর অনুগত্য করতে হবে।
- প্রতিজ্ঞা বদ্ধ সদস্যবৃন্দু কোনো বিষয়ে ঐক্যবদ্ধ হলে কেহ সে বিষয়ের বিরোধিতা করতে পারবে না।
- কারো সাথে ঝগড়া-বিবাদ,বাক-বিতন্ডায় জড়াবে না,এসবে যাতে না জড়াতে হয় সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে।
- কোনো ব্যক্তি অন্য কোনো ব্যক্তির সাথে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় লিপ্ত হতে পারবে না এবং প্রতিপক্ষও ভাববে না।
- সাম্য,শান্তি ও অধিকার বিধ্বংসী সুদ ও ঘুষ প্রথা বিলুপ্তির যথাসাধ্য চেষ্টা করবো।
- সমাজেরমূলে গেড়ে বসা ঘৃণ্য মাদকদ্রব্য,ধর্ষণ,নারী নির্যাতন ও যৌতুক প্রথার মূলে কুঠারাঘাত করে উৎখাত করার চেষ্টা অভ্যাহত থাকবে।